রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলা সদরের মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রসংলগ্ন কবরস্থানে যাওয়ার সড়ক এবং কালভার্টটি পাহাড়ি ঢলের কারণে তীব্র ভাঙনের মুখে পড়েছে। ছড়ার পাড়ের বড় একটি অংশ ধসে যাওয়ায় কবরস্থানে যাওয়ার একমাত্র পথের পাশাপাশি উপজেলা মডেল মসজিদটিও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাম্প্রতিক পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতে ছড়ার পাড়ের প্রায় ৯ মিটার অংশ ধসে গেছে এবং ভাঙনের কিনারা ধীরে ধীরে মডেল মসজিদের দিকে এগিয়ে আসছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অতীতে এ এলাকায় তীর সংরক্ষণে উল্লেখযোগ্য কোনো কাজ হয়নি এবং সম্প্রতি প্রকৌশলীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও স্থায়ী ভাঙন রোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
উপজেলা মডেল মসজিদের খতিব হাফেজ মোহাম্মদ সোলাইমান এবং বরইছড়ি ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. একরাম হোসেন জানান, প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মুসল্লি এই মসজিদে আসেন। দ্রুত সংস্কার করা না হলে কালভার্টটি ধসে পড়তে পারে এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন জানান, তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীদের সাথে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং দ্রুত স্থায়ী তীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন।
কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রায়হানুল ইসলাম জানান, ভাঙনের বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করে ইতিমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে রাঙামাটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী তয়ন কুমার ত্রিপুরা রোববার (১৯ জুলাই) সকালে জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং প্রকৌশলীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সড়ক ও কালভার্ট রক্ষায় ইতিমধ্যে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ শুরু হয়েছে।




