বুধবার, আগস্ট ১২, ২০২৬
মূলপাতাঅর্থনীতিকাপ্তাই জেটিঘাটে কচুরিপানা জট! বেড়েছে বিড়ম্বনা

কাপ্তাই জেটিঘাটে কচুরিপানা জট! বেড়েছে বিড়ম্বনা

কাপ্তাই হ্রদ থেকে ভেসে আসা বিপুল পরিমাণ কচুরিপানায় রাঙামাটির কাপ্তাই জেটিঘাট সংলগ্ন প্রায় এক কিলোমিটার নৌপথ কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। জেটিঘাটের বিভিন্ন অংশে কচুরিপানার স্তূপ জমে থাকায় ইঞ্জিনচালিত বোট ও অন্যান্য নৌযান চলাচলে সৃষ্টি হয়েছে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা। এতে যাত্রী, বোটচালক ও মাছ ব্যবসায়ীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

​সরজমিনে দেখা গেছে, কাপ্তাই অভ্যন্তরীণ নৌঘাট, বিএফডিসি প্লাটুন ঘাট ও এর আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় কচুরিপানা জমে রয়েছে। অনেক মাছবাহী ও যাত্রী বোট ঘাটে স্বাভাবিকভাবে ভিড়তে পারছে না। বিলাইছড়িগামী যাত্রীরা জানান, কাপ্তাই জেটিঘাট থেকে বোট ছাড়ার পর সামনের এক কিলোমিটার নৌপথ কচুরিপানায় ভরে গেছে। এই সামান্য পথ পাড়ি দিতেই এক ঘণ্টার বেশি সময় লাগছে।

​বোটচালকরা জানান, কচুরিপানার কারণে ৫ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে এক ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগছে। প্রতিদিন বোটের পাখা বা প্রপেলার কচুরিপানায় জড়িয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মৎস্য ব্যবসায়ীরাও মাছ বোঝাই বোট নিয়ে ঘাটে আসতে এবং মাছ ওঠানামা করতে ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

​কাপ্তাই মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির কর্মকর্তারা জানান, উজান এলাকার লেক থেকে স্রোতের টানে এসব কচুরিপানা ভেসে এসে জেটিঘাট এলাকায় জমা হয়। বিশেষ করে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় সৃষ্ট স্রোতের সঙ্গে কচুরিপানা আটকে যায়।

​কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বলেন, “প্রতিবছর কাপ্তাই লেক থেকে কচুরিপানা পরিষ্কার করা হলেও উজান থেকে নতুন করে ভেসে আসায় স্থায়ী সমাধান সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমান পরিস্থিতিতে কচুরিপানা নিয়ন্ত্রণ করা বড় চ্যালেঞ্জ।”

​নৌপথটি সচল রাখতে স্থানীয়রা দ্রুত কচুরিপানা অপসারণের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি ও আধুনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

Most Popular

Google search engine
Google search engine
Google search engine

Recent Comments