পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর আকস্মিক পদত্যাগে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মনে সৃষ্ট হতাশা দূর করতে অবিলম্বে সেখানে ঐ অঞ্চলের কোনো আস্থাভাজন আদিবাসীকে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দেশের ৩২ জন বিশিষ্ট নাগরিক।
আজ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এই আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে সুলতানা কামাল, খুশী কবির, ড. ইফতেখারুজ্জামান ও ব্যারিস্টার সারা হোসেনসহ সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের দিনই পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে একজন পূর্ণ মন্ত্রী দেওয়ায় জনমনে আস্থা দৃঢ় হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগে পাহাড়ি আদিবাসী ও সাধারণ মানুষের মনে সন্দেহের দানা বেঁধেছে যে—তাঁকে দায়িত্ব পালনে কোনো বিশেষ মহল প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বাধা সৃষ্টি করেছে কিনা।
নাগরিকেরা স্মরণ করিয়ে দেন, নির্বাচনী ইশতেহারে বিএনপি ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’ বা রংধনু রাষ্ট্র নির্মাণের পরিকল্পনার সঙ্গে এই শূন্যতা ও হতাশা সাংঘর্ষিক। ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চুক্তির ‘ঘ’ খণ্ডের ১৯ ধারা অনুযায়ী উপজাতীয়দের মধ্য থেকেই মন্ত্রী নিয়োগের বিধান রয়েছে। এমনকি অতীতে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারও পাহাড়ি সদস্যকে উপমন্ত্রী করে পুরো মন্ত্রণালয়ের ভার দিয়েছিল।
তাই সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষা ও পাহাড়িদের ক্ষোভ নিরসনে চুক্তির বিধান অনুযায়ী দ্রুত পূর্ণাঙ্গ ক্ষমতা দিয়ে কোনো পাহাড়ি আদিবাসীকে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।




