মোবাইলে ইউবোর্ড এপস ইনস্টল করে খুব সহজে ডিজিটাল মাধ্যমে মাতৃভাষার বর্ণমালা দিয়ে লিখতে পারবেন বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী চাকমা মারমা এবং ম্রো জনগোষ্ঠী। একই এপস দিয়ে লিখতে পারবেন বাংলা এবং ইংরেজি।
রবিবার সকালে রাঙামাটি জেলা পরিষদের মিলনায়তনে নৃ গোষ্ঠী ভাষার ডিজিটাইজেশন কম্পোনেন্ট ইউবোর্ড ও ফন্ট শীর্ষক এক কর্মশালায় এ কথা জানান ভাষা গবেষণা ও উন্নয়ন বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ইবিএলআইসিটি। কর্মশালায় এর ব্যবহার শিখিয়ে দেন ইবিএলআইসিটি কর্মকর্তারা।
দেশের ভাষা গবেষণা ও উন্নয়ন বিষয়ক ইবিএলআইসিটি এ কর্মশালা আয়োজন করে।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি চিলেন আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী। এ সময় তিনি বলেন অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলো তাদের ভাষার বর্ণমালাগুলোর পুর্ণাঙ্গ ডাটা সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন করতে পারলে সেগুলো ডিজিটাল মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশে বিদ্যমান সকল জনগোষ্ঠীর ভাষা সংরক্ষণে বদ্ধ পরিকর। এ সংরক্ষণ কাজে সরকারকে সহযোগীতা করতে হবে। তখন গবেষণা ও উন্নয়ন কাজ সহজতর হবে। এতে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী তাদের ভাষা সংরক্ষণ করতে পারবে।
কর্মশালায় দেখানো হয় খুব সহজে কিভাবে ইউবোর্ডের মাধ্যমে চাকমা মারমা ম্রোসহ দেশের ৬ ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীর ভাষা যায়।
কর্মশালায় জানানো হয় এ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ভাষা সংরক্ষণের কাজ করা হচ্ছে। যেসব জাতিগোষ্ঠী তাদের নিজস্ব ভাষা সংরক্ষণ করতে চায় তারা ইবিএলআইসিটির মাধ্যমে ভাষা উন্নয়ন করতে পারেব।
কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন ইবিএলআইসিটির প্রকল্প পরিচালক মো মাহবুব করিম, পরামর্শক মামুন অর রশীদ, রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী ইনস্টিটিউটের উপ পরিচালক জিতেন চাকমা, গবেষক প্রসন্ন কুমার চাকমা, মনোজ বাহাদুর গুর্খা।
কর্মশালায় রাঙামাটিতে বসবাসরত চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, খিয়া, পাংখো, তঞ্চঙ্গা, ম্রো সম্পদ্রায়ের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শতাধিক শিক্ষার্থী এবং ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীর ভাষা গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।




