রাঙামাটির বরকল উপজেলার হরিণা বাজারের ব্যবসায়ী মোঃ মোজাম্মেল হক স্থানীয় প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা চাঁদাবাজি, মিথ্যা অপপ্রচার ও মানহানির অভিযোগ তুলেছেন।
শনিবার সকালে রাঙামাটি শহরের বনরূপায় ক্যাফেলিংক রেস্টুরেন্টে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভযোগ তুলেন। এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের কাছে জীবনের নিরাপত্তা ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোজাম্মেল হক জানান, তিনি বিগত ২৫ বছর ধরে হরিণা বাজারে সততার সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। কিন্তু সম্প্রতি স্থানীয় রবিউল ইসলাম ও নূর হোসেন নামক দুই ব্যক্তি তার কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে ‘চোরাকারবারী’ ও ‘অবৈধ পণ্য পাচারকারী’ হিসেবে আখ্যায়িত করে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে।
ব্যবসায়ী মোজাম্মেল হক বলেন, “রাঙামাটি থেকে হরিণা পর্যন্ত সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিজিবি’র পাঁচটি চেকপোস্ট রয়েছে। এই পথে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধ কাজ করা অসম্ভব। রবিউল ও নূর হোসেন কেবল আমার মানহানি করছে না, বরং তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দক্ষতা ও কার্যক্রমকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, রবিউল ইসলামের পরিবার বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এলাকায় ব্যাপক আধিপত্য বিস্তার করেছিল। তার বাবা আব্দুল মোতালেব মুন্সী বরকল উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। এই রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তারা মোজাম্মেল হকের পরিবারের ওপর এর আগেও নির্যাতন চালিয়েছে এবং ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেছিল। ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময়ও তারা এই পরিবারের ওপর হামলা চালায় বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বরকল উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিদ্দিক সওদাগর, হরিণা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো সোলায়মান সওদাগর, সহ সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন, ব্যবসায়ী. মোঃ শফিক, ব্যবসায়ী নাঈমুর রহমান দুর্জয়।




