সকল প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় ঘটিয়ে এলাকার উন্নয়ন, পাহাড়ি বাঙালীর সম্প্রীতির উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, পর্যটনের উন্নতি, শান্তির রাঙামাটি গড়ার অঙ্গীকার করেছেন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে রাঙামাটি সংসদীয় আসনের ৪ প্রার্থী।
এরা হলেন বিএনপির প্রার্থী এড দীপেন দেওয়ান, জাতীয় পার্টির অশোক তালুকদার, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জুই চাকমা এবং বাংলাদেশ গণ নাগরিক পরিষদের প্রার্থী আবুল বাশার।
শনিবার সকালে রাঙামাটি পৌরসভা প্রাঙ্গনে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর উদ্যোগে ‘জনগণের মুখোমুখি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এসব প্রতিশ্রুতি দেন তারা।
তবে এ অনুষ্ঠানে অন্য প্রার্থী স্বতন্ত্র পহেলা চাকমা, খেলাফত মজলিসের আবু বকর ছিদ্দিক এবং বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী জসিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন না।
পাশপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন, নারী ক্ষমতায়ন ও মাদক নিয়ন্ত্রণসহ জেলার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করার কথা বলেছেন তারা।
শুক্রবার
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুজন জেলা কমিটির সভাপতি এড দীননাথ তঞ্চঙ্গ্যা। সনাক ঢাকার কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ সরকারের সঞ্চালনায় প্রার্থীরা বক্তব্য প্রদানের পাশাপাশি ভোটারদের করা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাঙামাটি আসনে স্বতন্ত্রসহ বিভিন্ন দলের মোট ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী জিরুনা ত্রিপুরা অনুপস্থিত থাকায় অনুষ্ঠানে নিয়েছেন ১০ প্রার্থী অংশ।
অনুষ্ঠানে বিএনপির প্রার্থী দীপেন দেওয়ান বলেন, রাঙামাটি জেলায় উন্নয়ন বোর্ড, জেলা পরিষদ, জেলা প্রশাসন সহ একাধিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এগুলোর মধ্যে একে অপরের সমন্বয় ঘটিয়ে তিনি এলাকায় উন্নয়ন কাজ এগিয়ে নিয়ে যাবেন। পাশাপাশি এ অঞ্চলের বেকারদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আর্থ সামাজিক উন্নয়ন, পাহাড়ি বাঙালীদের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন করতে কাজ করবেন।
জাতীয় পার্টির পার্থী অশোক তালুকদার বলেন, তিনি জয়ী হলে জেলার তৃণমুল পর্যায়ে শান্তি শৃঙ্খলা উন্নয়নের মডেল হিসেবে গড়ে তুলবেন এবং রাঙামাটি জেলাকে আধুনিক জেলা হিসেবে গড়ে তুলবেন।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জুই চাকমা বলেন, আমার প্রতীক কোদাল। কোদাল মার্কাকে জয়ী করা হলে তিনি কোদাল দিয়ে পুরো রাঙামাটি শহরকে পরিচ্ছন্ন করবেন। নাগরিক যেন খুব সহজে নাগরিক সেবা পায় সেজন্য তিনি কাজ করবেন। জয়ী হলে তিনি অন্যায় দুর্নীতি রোধে কাজ করবেন।
আবুল বাশার বলেন, পাহাড়ি বাঙালী সমন্বয়ের মাধ্যমে তিনি রাঙামাটিকে সাজাবেন। এটি একটি মডেল জেলা হবে। জেলায় শান্তি ফেরাতে পাহাড়ি বাঙালী উভয় জনগোষ্ঠীর দাবী দাওয়াকে ছাড় দিয়ে হলেও এ এলাকার শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করবেন।




