নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে রাঙামাটি পৌরসভার মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন খসড়া মহাপরিকল্পনা উপস্থাপন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন, পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ মোবারক হোসেন মঙ্গলবার সকালে পৌরসভার মিলনায়তনে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ মোবারক হোসেন তিনি বলেন, পৌরসভা উন্নয়নে মাষ্টার প্ল্যানের বিকল্প নেই। স্মাট পৌরসভা হতে হলে অনেক কিছুর প্রয়োজন হয়। আমরা লেক দখল করি। লেকে মলমূত্র ফেলি। পৌরসভার মধ্যে শিশু বিকশিত হওয়ার মত খেলাধুলার মাঠ নেই। এখানে পৌরসভার উন্নয়নে অনেক কাজ রয়েছে। আজকের খসড়া মহাপরিকল্পনা উপস্থাপন কর্মশালায় সকলের সহযোগিতা কামনা করি।
পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব পিপিএম বলেন,পৌরসভা যে মহাপরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়েছে তাতে পুলিশেরও ভূমিকা থাকবে।পৌরসভার উন্নয়নে জেলা পুলিশের সব ধরনের সহযোগিতা থাকবে। ইতি মধ্যে পৌরসভার সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে বনরুপাস্থ এলাকায় যানজটমুক্ত করা হয়েছে। রাঙামাটির যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও উন্নতি ত্বরান্বিত করা হলে এখানে সফলতা পাবে। পরিকল্পনা যেন বাস্তবে রুপ নেয় সে দিকে সুনজর রাখতে কর্তৃপক্ষ প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন পুলিশ সুপার।
সিভিল সার্জন ডাক্তার নূয়েন খীসা বলেন, আগে যে রাঙামাটির সৌন্দর্ষ ছিল। এখন আর সেই সৌন্দর্য নেই। কেউ যদি চট্টগ্রাম বা ঢাকা থেকে টিভি সেন্টার পর্যন্ত আসে খুব সুন্দর দেখায়। যখনই রাঙামাটি শহরে ঢকে তখন আর সেই সৌন্দর্য দেখা যায় না। প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে যেন একটি করে আরমান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার রাখা হয়। এতে স্বাস্থ্য সেবাটা নিশ্চিত হবে।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মামুনুর রশীদ মামুন বলেন, কাপ্তাই হ্রদে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ ও পাবলিক হেলথ নিরাপদ পানি সরবরাহে যে ভাবে রাস্তা কাটাকাটি করছে তার কোন সমন্বয় করা হচ্ছে না। পৌরসভার মধ্যে যার যার মত করে বাড়ি ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে এসব বন্ধ করার জন্য জোর দাবি জানাই।
সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি ক্যাপ্টেন সাদেক ইয়ার খান আরমান বলেন, নগর উন্নয়ন করতে সবার সহযোগিতা দরকার। সুপরিকল্পিত উপায়ে মহাপরিকল্পনা এগিয়ে নিতে হবে।
জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমীর আব্দুল আলীম বলেন, সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা হলো নাগরিক সেবদান কারী একটি প্রতিষ্ঠান। যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়। যে পরিকল্পনাগুলো হাতে নেওয়া হবে সেই পরিকল্পনা গুলো যেন সঠিক ভাবে বাস্তবায়ন করা হয় সে অনুরোধ করছি।

কর্ডিনেটর আরবান এনজিও মোঃ খালেদ হোসেন বলেন, সারা দেশে আমাদের ৫৭টি পৌরসভা নিয়ে খসড়া মহাপরিকল্পনা উপস্থাপন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একটি পরিকল্পনা বা মাষ্টার প্ল্যান তৈরি করে পৌরসভা উন্নয়ন ও উন্নতি করার লক্ষে আরবান প্রকল্প সরকারের সাথে যৌথ ভাবে কাজ করবে।
আরবান প্রকল্পের কনসাল্টেন শাহাদাৎ হোসেন বলেন,আমরা যে পরিকল্পনা নিয়েছি তা আগামী ২০বছর পর এই সব পরিকল্পনা কি হবে তা বিভিন্ন ভাবেকর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।পৌরসভার মধ্যে সকল সেক্টরে আমরা খসড়া মহাপরিকল্পনা করেছি




